iPhone 18 Pro Max নাকি Samsung Galaxy S27 Ultra — কোনটা কেনা সেরা হবে?
মনে মনে একটা প্রশ্ন ঘুরছে, তাই না? iPhone 18 Pro Max এর জন্য অপেক্ষা করবেন, নাকি Samsung এর পরের Galaxy S27 Ultra ফোনের জন্য আরেকটু ধৈর্য ধরবেন?
উত্তর দেওয়ার আগে একটা সত্যি কথা বলে নিই। iPhone 18 Pro Max সেপ্টেম্বরেই লঞ্চ হবে, তাই এর স্পেক নিয়ে যা শোনা যাচ্ছে তার বেশিরভাগই বেশ পাকা তথ্য। কিন্তু Galaxy S27 Ultra আসবে ২০২৭ এর শুরুতে। এখনো অনেক মাস বাকি, তাই এর খবরে অনুমান বেশি, নিশ্চয়তা কম। এই পার্থক্যটা মাথায় রাখলে আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক সহজ হবে।
তবে মজার ব্যাপার হলো, একটা জায়গায় দুই কোম্পানিই যেন একই পথে হাঁটছে। দুটো ফোনেই এবার ব্যাটারি ক্যাপাসিটি বাড়িয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তাই ব্যাটারির লড়াইটা এবার সত্যিই কাছাকাছি হতে পারে। চলুন, পুরোটা একটু ভালো করে জেনে নিই।
লঞ্চ টাইমলাইন — কেন এই তুলনাটা পুরোপুরি সমান না
iPhone 18 Pro Max আর Galaxy S27 Ultra নিয়ে আলোচনা তো অনেক হচ্ছে। কিন্তু একটা জিনিস অনেকেই খেয়াল করেন না। দুই ফোনের লঞ্চের মধ্যে ব্যবধান প্রায় ৫ মাসের বেশি। আর এই সময়ের ফারাকটাই ঠিক করে দেয়, কোন ফোনের খবরে কতটা ভরসা করা যায়।
iPhone 18 Pro Max — সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ লঞ্চ
এই ফোনের লঞ্চ সেপ্টেম্বর ২০২৬ এর মাঝামাঝি সময়ে হবে। Apple সাধারণত প্রতিবছর সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে নতুন সিরি লঞ্চ করে থাকে। তাই তাই সেপ্টেম্বরের ঠিক মাঝামাঝি সময়ে iphone 18 Pro Max রিলিক না হলেও তার ১ বা ২ সপ্তাহের মধ্যে ঠিকই লঞ্চ হবে। লঞ্চ হতে আর কিছু বাকি থাকায় এই ফোনের তথ্যগুলো এখন নির্ভরযোগ্য।
Galaxy S27 Ultra — ২০২৭-এর শুরুতে লঞ্চ
এই ফোন আসবে আরও অনেক পরে, ২০২৭ সালের শুরুতে। মানে এখনো ৫ মাসের বেশি সময় বাকি। তাই স্পেসিফিকেশন বদলে যাওয়ার সম্ভাবনাও বেশি। যেমন, আগে শোনা গিয়েছিল LPDDR6 RAM থাকবে। কিন্তু নতুন খবর বলছে, শেষমেশ LPDDR5X ই থেকে যেতে পারে। তাই এরকম পরে আরো তথ্য চেঞ্জ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সম্পূর্ণ স্পেক তুলনা
নিচে দুই ফোনের সব স্পেসিফিকেশন একসাথে দেখানো হলো।
ডিজাইন ও ডিসপ্লে
দুটো ফোনের স্ক্রিন সাইজ প্রায় একই, ৬.৯ ইঞ্চি। কিন্তু ডিজাইনের গল্পে বড় ফারাক আছে। একটা ফোন আগের মতোই চেনা রূপে থাকছে, আরেকটা আনতে পারে বছরের সবচেয়ে বড় বদল।
স্ক্রিন সাইজ — দুটোই 6.9 ইঞ্চি
দুটো ফোনের স্ক্রিন সাইজ প্রায় একই। ৬.৯ ইঞ্চি। কাগজে দেখলে Samsung একটু এগিয়ে। কারণ ওদের QHD+ রেজোলিউশন থাকতে পারে। কিন্তু আসল কথা হলো, সংখ্যা দিয়ে সব বোঝা যায় না।
তবে, Apple এর ইতিহাস বলছে অন্য কথা। ওরা স্ক্রিনের টিউনিং এত ভালো করে, যে খালি চোখে এই পার্থক্য প্রায় ধরাই যায় না। মানে দৈনন্দিন ব্যবহারে, ইউটিউব দেখা হোক বা স্ক্রল করা, দুটো ফোনই সমান ভালো লাগবে।
ডিজাইন ভাষা — পরিচিত বনাম বড় পরিবর্তন
iPhone 18 Pro Max দেখতে অনেকটা আগের 17 Pro Max এর মতোই হবে। তবে ব্যাটারি বড় হওয়ায় সামান্য মোটা বা ভারী লাগতে পারে। মানে চেনা ডিজাইন, ছোট বদল।
কিন্তু Galaxy S27 Ultra তে বদল হতে পারে অনেক বড়। এখন যে গোল ক্যামেরা রিং আছে, সেটা বাদ দিয়ে নতুন এক লম্বা horizontal ক্যামেরা বার আসতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। তবে এটা এখনো নিশ্চিত না। এই পুরো তুলনার মধ্যে এটাই সবচেয়ে বেশি অনুমান নির্ভর অংশ। তাই এখনই এটাকে ফাইনাল ডিজাইন ভেবে নেবেন না।
Samsung-এর S Pen — Apple-এ নেই এমন একটা জিনিস
একটা জিনিস এখানে স্পষ্ট করে বলা দরকার। Samsung এর Ultra সিরিজে S Pen থাকে। আর এই জিনিসটা কোনো iPhone এ নেই।
যারা নোট লেখেন, ছবি আঁকেন, বা কোনো ডকুমেন্টে সাইন করেন, তাদের জন্য এটা শুধু একটা এক্সট্রা জিনিস না। এটা সত্যিকারের কাজে লাগার মতো একটা সুবিধা। যদিও নতুন কিছু খবরে সামান্য সন্দেহ তৈরি হয়েছে, তবু বেশিরভাগ রিউমার বলছে S Pen থাকবেই।
ক্যামেরা তুলনা
এবার আসি সেই অংশে, যেখানে বেশিরভাগ মানুষ ফোন কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। ক্যামেরা। কিন্তু শুধু মেগাপিক্সেল দেখে বিচার করলে ভুল করবেন।
মেগাপিক্সেল বনাম বাস্তব ফটোগ্রাফি
Samsung Galaxy S27 Ultra এর মেইন ক্যামেরায় থাকতে পারে ২০০MP। আর iPhone 18 Pro Max এর আছে মাত্র ৪৮MP। সংখ্যা দেখে মনে হতেই পারে, Samsung অনেক এগিয়ে। কিন্তু থামুন একটু।
শুধু সংখ্যা দিয়ে ভালো ছবি বোঝা যায় না। সেন্সরের সাইজ, লেন্সের মান, আর ছবি প্রসেস করার কৌশল, এইসবও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই এটা "Apple হেরে গেল" এমন গল্প না। বরং দুই কোম্পানির চিন্তাভাবনাই আলাদা। Apple জোর দেয় কালার আর কনসিস্টেন্সিতে। Samsung জোর দেয় ডিটেইল আর ক্রপ করার সুবিধায়।
জুম — Samsung এর পুরনো শক্তি
জুমের ক্ষেত্রে Samsung ঐতিহ্যগতভাবেই এগিয়ে। শোনা যাচ্ছে, এবারও দুটো টেলিফটো লেন্স থাকতে পারে। যদিও কিছু খবর বলছে, একটাতেও নেমে আসতে পারে। তাই এখানে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।
iPhone এর দিকে থাকতে পারে 6x অপটিক্যাল জুম। এটা আগের চেয়ে ভালো। কিন্তু Samsung যদি দুটো লেন্সই রাখে, তাহলে জুমের লড়াইয়ে তারাই এগিয়ে থাকবে।
Apple এর ভেরিয়েবল অ্যাপারচার বনাম Samsung-এর সেন্সর-সাইজ approach
এখানে দুই কোম্পানির চিন্তাভাবনা একদম আলাদা।
Apple নিয়ে আসতে পারে ভেরিয়েবল অ্যাপারচার। মানে কী? আলো কম বা বেশি হলে ক্যামেরা নিজে থেকেই অ্যাপারচার বদলাতে পারবে। এতে রাতের ছবি আর পোর্ট্রেট, দুটোই আরও ভালো হতে পারে।
Samsung অন্য পথে হাঁটছে। তারা বড় সেন্সর রাখছে, আর সাথে ভারী প্রসেসিং। মানে আগে বেশি আলো ধরো, পরে সফটওয়্যার দিয়ে সেটা ঠিক করে নাও।
কোনটা ভালো, সেটা বলা কঠিন। দুটোরই নিজের সুবিধা আছে। ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী ফলাফল বদলাবে।
সেলফি ক্যামেরা
iPhone 18 Pro Max এর সেলফি ক্যামেরা হতে পারে ২৪MP। তাই ছবি আরও শার্প আর ডিটেইলড হতে পারে।
Samsung Galaxy S27 Ultra এর ক্যামেরা ১৬MP হলেও, সাথে আছে OIS। এটা শুনতে ছোট মনে হলেও আসলে অনেক কাজের। ভিডিও কলে বা হাঁটতে হাঁটতে ভ্লগ করার সময় হাত কাঁপলেও ছবি স্থির থাকবে।
তাই সহজ কথায়, শার্প ছবির জন্য iPhone এগিয়ে থাকতে পারে। আর যদি সেলফি ভিডিও বেশি করেন, তাহলে Samsung এর OIS আপনার বেশি কাজে লাগবে।
ব্যাটারি লাইফ
আগের জেনারেশনে ব্যাটারি নিয়ে একটা ফোন সবসময় একটু এগিয়ে থাকত। কিন্তু এবার সেই ছবিটা বদলাতে যাচ্ছে। iPhone আর Samsung, দুই কোম্পানিই এবার ব্যাটারিকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে।
এই বছর একটা কাছাকাছি প্রতিযোগিতা
iPhone 18 Pro Max এ ব্যাটারি বাড়তে পারে প্রায় ১০%, আগের 17 Pro Max এর তুলনায়। এই খবর এসেছে regulatory leak থেকে, তাই এটা বেশ বিশ্বাসযোগ্য।
Galaxy S27 Ultra তেও বড় পার্থক্য আসতে পারে। ৫,০০০mAh থেকে বেড়ে হতে পারে ৫,৭০০mAh, সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি দিয়ে। যদিও এই খবরটা এখনো ততটা পাকা না।
তাই মজার ব্যাপার হলো, দুই কোম্পানিই এবার ব্যাটারিকে বড় করে দেখছে। এটা সত্যিই একটা কাছাকাছি লড়াই হতে যাচ্ছে।
efficiency, ক্যাপাসিটির মতোই জরুরি
শুধু ব্যাটারি বড় হলেই চলে না। চিপও efficient হতে হয়।
iPhone এ থাকবে A20 Pro চিপ আর সাথে C2 মডেম, দুটোই 2nm প্রসেসে বানানো। আর Samsung এর দিকে থাকবে Snapdragon 8 Elite Gen 6 Pro চিপ, সেটাও 2nm এ।
মানে দুই ফোনই কম শক্তি খরচ করে বেশি কাজ করার চেষ্টা করছে। তাই শুধু mAh সংখ্যা দেখে বলা যাবে না, কোন ফোন বেশিক্ষণ চলবে। আসল পার্থক্য বোঝা যাবে হাতে পাওয়ার পর, real-world টেস্টেই।
পারফরম্যান্স ও চিপসেট
এবার আসি গতির কথায়। কোন ফোন চলবে বেশি স্মুথ?
দুইটা আলাদা 2nm approach
দুই ফোনেই থাকবে 2nm চিপ। iPhone-এ A20 Pro, আর Samsung এ Snapdragon 8 Elite Gen 6 Pro এর একটা "for Galaxy" ভার্সন। এটা মানে হলো, Samsung এই চিপ নিজেদের মতো করে টিউন করে নেয়, যাতে একটু বেশি পাওয়ার পাওয়া যায়।
দুই কোম্পানিরই লক্ষ্য একটাই। ফোন যেন গরম হয়ে ধীরে না চলে। মানে গেম খেললে বা ভারী কাজ করলেও, ফোন যেন প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সমান গতিতে চলে।
RAM — শুধু সংখ্যা দিয়ে বিচার করা ঠিক না
Samsung এ RAM থাকতে পারে ১২ থেকে ১৬GB। আর iPhone এ সবসময়ই কম RAM দেখা যায়। এটা দেখে ভাববেন না, Samsung অনেক এগিয়ে।
কারণ iOS আর Android মেমোরি সামলায় সম্পূর্ণ আলাদাভাবে। তাই RAM এর সংখ্যা দিয়ে দুই ফোনের গতি সরাসরি তুলনা করা যায় না।
সফটওয়্যার ও ইকোসিস্টেম
সফটওয়্যার মানেই তো শুধু ফিচারের লিস্ট না, এটা একটা অভিজ্ঞতা। কোন ফোন আপনার হাতে কেমন লাগবে, সেটা অনেকটাই এই সফটওয়্যারের উপর নির্ভর করে।
iOS বনাম One UI — একটা দর্শনগত পার্থক্য
সফটওয়্যারের দিক থেকে দুই ফোন হাঁটে দুই পথে।
iOS জোর দেয় সরলতায়। সব কিছু গুছানো, পরিষ্কার, আর সব Apple ডিভাইসের সাথে মিলে যায় সহজে। iPhone, iPad, Mac, একসাথে ভালো কাজ করে।
Samsung এর One UI অন্যরকম। এখানে নিজের মতো করে ফোন সাজানো যায় অনেক বেশি। স্ক্রিন ভাগ করে একসাথে দুই কাজও করা যায় সহজে।
কোনটা ভালো, সেটা বলা কঠিন। যিনি সরল আর ঝামেলাহীন কিছু চান, তার জন্য iOS। আর যিনি নিজের মতো সাজাতে ভালোবাসেন, তার জন্য One UI।
দামের প্রত্যাশা
এবার আসি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে। কোন ফোনের দাম কত টাকা হতে পারে।
iPhone 18 Pro Max — বাংলাদেশে দাম
প্রথম ১৫ দিন iphone 18 Pro Max Price থাকবে ২,৫০,০০০ থেকে ২,৮০,০০০ টাকা, ৫১২GB থেকে ১TB ভ্যারিয়েন্টে। এই ১৫ দিন পর দাম নেমে আসবে ১,৭০,০০০ থেকে ১,৮০,০০০ টাকায়।
এর ৭ দিন পর বাজারে আসবে ২৫৬GB ভ্যারিয়েন্ট। দাম থাকবে ১,৭০,০০০ থেকে ২,০০,০০০ টাকা, ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী।
Galaxy S27 Ultra — বাংলাদেশে দাম
Samsung Galaxy S27 Ultra Price শুরুতে থাকতে পারে ১,৯০,০০০ থেকে ২,১০,০০০ টাকা।
১৫ দিন পর দাম নেমে আসতে পারে ১,৫০,০০০ থেকে ১,৬০,০০০ টাকায়। আর এক মাস পর দাম আরও কমে দাঁড়াতে পারে ১,২০,০০০ থেকে ১,৪০,০০০ টাকায়।
কোনটার জন্য অপেক্ষা করবেন? — চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গাইড
এতক্ষণ তো অনেক কিছু জানলেন। এবার আসল প্রশ্নে আসি। আপনার জন্য কোনটা ঠিক হবে?
iPhone 18 Pro Max বেছে নিন যদি —
আপনি যদি আগে থেকেই Apple এর ফোন, ল্যাপটপ বা ঘড়ি ব্যবহার করেন, তাহলে এই ফোনই আপনার জন্য সহজ পছন্দ। কারণ সব ডিভাইস একসাথে ভালো কাজ করে।
আর যদি এমন একটা ফোন চান, যার তথ্য প্রায় নিশ্চিত আর বিশ্বাসযোগ্য, তাহলেও এটাই এগিয়ে। কারণ এই ফোনের অনেক স্পেসিফিকেশনই এখন পাকা খবর।
আর যদি ২০২৭ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে না চান, সেপ্টেম্বরেই ফোন হাতে পেতে চান, তাহলে এই ফোনই বেছে নিন।
Galaxy S27 Ultra বেছে নিন যদি —
আপনার যদি S Pen লাগে, নোট লেখা বা আঁকাআঁকির জন্য, তাহলে এই ফোন ছাড়া উপায় নেই। কারণ iPhone এ এই সুবিধা নেই।
আপনি যদি Android এর মতো নিজের ইচ্ছামতো ফোন সাজাতে ভালোবাসেন, তাহলেও এটাই ভালো হবে।
আর যদি Samsung এর সম্ভাব্য বড় ডিজাইন বদলের জন্য কয়েক মাস অপেক্ষা করতে রাজি থাকেন, তাহলে এই ফোনের জন্য অপেক্ষা করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
একটা প্র্যাকটিক্যাল মিডল গ্রাউন্ড
কিন্তু যদি আপনার এখনই একটা ফোন দরকার হয়? তাহলে অসমাপ্ত রিউমারের উপর ভরসা না করে, iPhone 17 Pro Max অথবা Galaxy S26 Ultra বিবেচনা করতে পারেন। দুটোই এখন বাজারে আছে, দাম আর ফিচার দুটোই স্পষ্ট।
শেষ কথা
সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, এবারের দুটো ফোনেরই তুলনাটা সত্যিই মজার হতে চলেছে। বলতে গেলে, ব্যাটারিতে দুই ফোন প্রায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগোচ্ছে। আর ক্যামেরার দর্শনেও পার্থক্যটা বেশ চোখে পড়ার মতো।
তবে একটা কথা মাথায় রাখা দরকার। দুই ফোনের খবর সমান বিশ্বাসযোগ্য না। iPhone 18 Pro Max আসছে খুব শিগগিরই, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই। কিন্তু Galaxy S27 Ultra র জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েক মাস।
Frequently Asked Questions
iPhone 18 Pro Max লঞ্চ হবে সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মাঝামাঝি সময়ে। Galaxy S27 Ultra আসবে আরও পরে, ২০২৭ সালের শুরুর দিকে।
দুই ফোনেই এবার ব্যাটারি বড় হচ্ছে। iPhone 18 Pro Max-এ থাকতে পারে প্রায় ৫,৫৬৭mAh, আর Galaxy S27 Ultra-তে হতে পারে প্রায় ৫,৭০০mAh। তাই এবারের লড়াইটা বেশ কাছাকাছি হতে পারে।
রিউমার বলছে, গোল ক্যামেরা রিং বাদ দিয়ে নতুন একটা লম্বা horizontal ক্যামেরা বার আসতে পারে। তবে এটা এখনো নিশ্চিত না, কারণ ফোনটার লঞ্চ এখনো অনেক দূরে। Samsung-এর 200MP ক্যামেরা কি সত্যিই Apple-এর 48MP-এর চেয়ে ভালো? শুধু মেগাপিক্সেল দিয়ে এটা বিচার করা যায় না। সেন্সরের সাইজ, লেন্সের মান, আর ছবি প্রসেসিং, এসবও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই দুই ফোনের ফলাফল আলাদা, কোনটা "ভালো" সেটা নির্ভর করে আপনি কী ধরনের ছবি চান তার উপর।
বাংলাদেশে iPhone 18 Pro Max-এর শুরুর দাম হতে পারে ২,৫০,০০০ থেকে ২,৮০,০০০ টাকা। Galaxy S27 Ultra-র দাম শুরুতে হতে পারে ১,৯০,০০০ থেকে ২,১০,০০০ টাকা, অর্থাৎ তুলনামূলক কম।
